25 C
Kolkata
Thursday, December 1, 2022
বাড়িদেশ বিদেশগ্র্যাজুয়েট চা-ওয়ালিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন অসহায়ের ত্রাতা সোনু সুদ

গ্র্যাজুয়েট চা-ওয়ালিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন অসহায়ের ত্রাতা সোনু সুদ

প্রশাসনের ধমকানি এবং চোখ রাঙানির কারণে প্রিয়াঙ্কাকে তার চায়ের দোকান বন্ধ করতে হয়েছিল। সম্প্রতি সাহায্যের জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় অনুরোধ করেছিলেন ‘গ্র্যাজুয়েট চা-ওয়ালি’। আর তার কাতর অনুরোধ পৌঁছে যায় ‘অসহায়ের ত্রাতা’ সোনু সুদের (Sonu Sood) কাছে। বিহারের (Bihar) প্রিয়াঙ্কা গুপ্তার সমস্যা সমাধানে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন সুপার হিরো সোনু সুদ। গ্র্যাজুয়েট চা-ওয়ালি প্রিয়াঙ্কা চাকরি না পেয়ে বিহারের পাটনা অঞ্চলে একটি চায়ের দোকান চালাতে শুরু করেন। ওই যুবতির অভিযোগ, তিনি চায়ের দোকান খোলার কিছু মাস পরেই পাটনা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ তার দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয়।

পাটনা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের তরফে প্রিয়াঙ্কার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয় যে, তিনি নাকি জোর করে ওই জায়গায় দোকান করেছেন। এরপরই সকলের কাছ থেকে সাহায্য পার্থনা করে সম্প্রতি প্রিয়াঙ্কা সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করেন। ওই ভিডিওতে প্রিয়াঙ্কা কাঁদতে কাঁদতে বলেন, ‘আমি বিহারে অন্য ধরনের কিছু করতে চেয়েছিলাম। আমাকে সাহায্য মানুষজনও করছিল। সমর্থন করছিল এই বিষয়ে। কিন্তু এটা তো বিহার! এখানে মহিলাদের জায়গা রান্নাঘরেই আবদ্ধ। মেয়েরা এখানে নিজেদের পায়ে দাঁড়ানোর জন্য এগোতে পারে না। তাঁদের এগোতে দেওয়া হয় না।

ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিও দেখার পরেই সোনু সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন

পাটনা জুড়ে যখন নানা ধরনের অবৈধ দোকান, ব্যবসা চলছে, মদ বিক্রি হচ্ছে, তখন সেটা কারও নজরে পড়ে না! কিন্তু যেই একটা মেয়ে ব্যবসা করে নিজের পায়ে দাঁড়াতে চাইল, তখনই যেন সমস্যা দেখা দিতে শুরু করল! আমার কাজ কি শুধু রান্না করা, ঘর মোছা, বিয়ে করে নিয়ে সংসার করা? ব্যবসা করার কোনও অধিকার কি আমার নেই?’ নিমিষের মধ্যে গ্র্যাজুয়েট চা-ওয়ালির সেই ভিডিওই ভাইরাল হয়ে যায়। ভাইরাল হতেই ওই ভিডিও সোনুর সুদের চোখে পড়ে। ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিও দেখার পরেই সোনু সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। তিনি টুইট করে জানান, ‘প্রিয়াঙ্কার চায়ের দোকানের সব ব্যবস্থা হয়ে গিয়েছে।

আর কেউ তাঁকে সরে যেতে বলবে না। আমি নিজে খুব জলদি বিহার আসব। তোমার বানানো চা খাবো।‍‍ দেশে যদি চা-ওয়ালা থাকতে পারে তাহলে চা-ওয়ালি কেন থাকবে না?’ প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে অর্থনীতিতে স্নাতক হন প্রিয়াঙ্কা। তারপর থেকেই তিনি চাকরির জন্য লাগাতার চেষ্টা করেন। বহু চেষ্টার পরও সে কোনও চাকরি পাননি। তাই মা-বাবাকে সংসারে সাহায্য করার জন্য চায়ের দোকান খোলার সিদ্ধান্ত নেন প্রিয়াঙ্কা। চলতি বছরের শুরুর দিকে পাটনার বেইলি রোডের উপর উইমেন্স কলেজের সামনে চায়ের দোকান খোলেন প্রিয়াঙ্কা। কিন্তু তারপরই প্রশাসনের তরফে জবরদখলের অভিযোগ করে তাঁর দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয়।

গ্র্যাজুয়েট চা-ওয়ালিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন অসহায়ের ত্রাতা সোনু সুদ

আপনার মতামত দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

%d bloggers like this: