25 C
Kolkata
Friday, February 3, 2023
বাড়িদেশ বিদেশনেহেরু মেমোরিয়াল মিউজিয়াম এন্ড লাইব্রেরি এর নাম বদলে করা হলো 'প্রধানমন্ত্রী সংগ্রহালয়'

নেহেরু মেমোরিয়াল মিউজিয়াম এন্ড লাইব্রেরি এর নাম বদলে করা হলো ‘প্রধানমন্ত্রী সংগ্রহালয়’

ভারতে প্রায় অনেক দশক ধরেই গান্ধি পরিবার শাসন করেছে। নিজেদের নামে অনেক কিছু তৈরিও করেছে। কিন্তু সেই দীর্ঘ দিনের শাসনকাল শেষ করে ২ বার দেশের প্রধানমন্ত্রী হলেন নরেন্দ্র মোদি। এবার দেশের ইতিহাস থেকে পুরোপুরি গান্ধি-নেহেরু পরিবারের নাম মুছে দেওয়ার প্রয়াসে আরও এক ধাপ এগোলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আজ নয়াদিল্লির তিন মূর্তি ভবনের নেহরু মেমোরিয়াল মিউজিয়াম অ্যান্ড লাইব্রেরি নাম বদলে হচ্ছে “প্রধানমন্ত্রী সংগ্রহালয়”। দেশের ১৪ জন প্রধানমন্ত্রীর অবদানকে স্বীকৃতি দিতেই ওই স্মৃতিসৌধের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর টুইটার হ্যান্ডলে গতকাল মোদী লেখেন, “আগামিকাল, ১৪ এপ্রিল বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রী সংগ্রহালয় উদ্বোধন করা হবে। সেখানে আমাদের প্রত্যেক প্রধানমন্ত্রীর অবদান প্রদর্শিত হবে।

ওই সংগ্রহালয় স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত সব প্রধানমন্ত্রীর জীবন ও কাজের নানা দিক আমজনতার কাছে তুলে ধরা হবে

ভারতের ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’ উদ্‌যাপন উপলক্ষ্যেই এই কর্মসূচি গ্রহণ করা। আমি সকলকে সংগ্রহালয় দেখার অনুরোধ জানাচ্ছি।” আগামী বছর লোকসভা ভোটের আগে দেশের সমস্ত প্রধানমন্ত্রীর অবদানকে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়ার জন্য একটি সংগ্রহশালা নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মোদী। গত বছর স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লার ভাষণে তিনি জানান , ওই সংগ্রহালয় স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত সব প্রধানমন্ত্রীর জীবন ও কাজের নানা দিক আমজনতার কাছে তুলে ধরা হবে। স্বাধীনতার ৭৫তম বছরের সূচনালগ্নে এক বছর ব্যাপী “আজাদি কা অমৃত মহোৎসব”-এক সূচনাপর্বে জানা যায়, মোদী সরকারের নজর দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর স্মৃতিবিজড়িত তিন মূর্তি ভবনের দিকেই।জানা যায়, মৃত্যুর আগে ষোলো বছর দিল্লির তিন মূর্তি ভবনে কাটিয়েছিলেন স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু।

তাঁর মৃত্যুর পরে এই তিন মূর্তি ভবন সংরক্ষণের ভার হাতে নেয় তৎকালীন কেন্দ্রীয় সরকার। পরে এটি নেহরু গবেষণার কেন্দ্র হয়ে ওঠে । এখন মোদী সরকারের এই পদক্ষেপে কংগ্রেস-সহ কয়েকটি বিরোধী দল আপত্তি জানায়। তাদের অভিযোগ, নেহরুকে ইতিহাস থেকে মুছে দিতে চাইছেন মোদী। সেই কারণেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। গত লোকসভা ভোটের পরেই কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রকের অধীনেই স্বশাসিত সংস্থা নেহরু সংগ্রহশালার পরিচালন সমিতি থেকে কংগ্রেসের সব প্রতিনিধিকে মোদী সরকার বাদ দিয়ে দিয়েছিল। এরপর সেখানে অমিত শাহ, রাজনাথ সিংহ মোদীর জীবনীকার লেখক কিশোর মাকওয়ানাকে সেই সমিতিতে জায়গা দেওয়া হয়। বিরোধীদের অভিযোগ মোদি দেশের ইতিহাস পাল্টাতে চাইছেন এবং এই কারণেই এমন সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। এটা খুবই অপমানজনক।

নেহেরু মেমোরিয়াল মিউজিয়াম এন্ড লাইব্রেরি এর নাম বদলে করা হলো ‘প্রধানমন্ত্রী সংগ্রহালয়’

আপনার মতামত দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

%d bloggers like this: