25 C
Kolkata
Sunday, September 25, 2022
বাড়িখেলাক্রিকেটগৌতম গম্ভীর মেন্টর হিসেবে দলে আসার ফলে কতটা লাভ হয়েছে

গৌতম গম্ভীর মেন্টর হিসেবে দলে আসার ফলে কতটা লাভ হয়েছে

প্রথমবার আইপিএল খেলছে নতুন দল লখনউ সুপার জায়ান্টস। শেষ ম্যাচে সানরাইজার্স হায়দারাবাদকে হারানোর পর বৃহস্পতিবার দিল্লির বিপক্ষে সহজ জয় তুলে নিল তারা। গৌতম গম্ভীর মেন্টর হিসেবে দলে আসার ফলে কতটা লাভ হয়েছে সেটা পরিষ্কার। প্রথমে রবি বিষ্ণোইয়ের (Ravi Bishnoi) লেগ স্পিনের ছোবল ও পরে রান তাড়া করতে নেমে কুইন্টন ডি ককের (Quinton de Kock) মারমুখী ইনিংসের উপর ভর করে দিল্লি ক্যাপিটালসকে (Delhi Capitals) ছয় উইকেটে হারিয়ে দিল লখনউ সুপার জায়ান্ট (Lucknow Super Giants)। এই দুজন কে এল রাহুলের (KL Rahul) দলের জয়ে মুখ্য ভূমিকা পালন করলেও, ম্যাচের সেরা প্রাপ্তি কিন্তু হতে পারত অন্য একটা ছবি। জয়ের দোরগোড়ায় এসে আউট হলেন দীপক। মাত্র দুই বল বাকি থাকতে দলকে জিতিয়ে দিলেন। আর জয়ের সঙ্গে চার ম্যাচে ছয় পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরে উঠে এল লখনউ। ১৫০ রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভাল করেছিল লখনউ।

দুই ওপেনার কেএল রাহুল এবং কুইন্টন ডি’কক ৭৩ রান যোগ করেন। অধিনায়ক রাহুল এবং দক্ষিণ আফ্রিকার কুইন্টন ডি কক দিল্লির বোলারদের চাপে ফেলে দিলেন শুরু থেকেই।নখিয়া প্রচুর মার খেলেন। শার্দুল ঠাকুর, মুস্তাফিজুর রহমান, ললিত যাদব সেভাবে বিপদ তৈরি করতে পারছিলেন না। ২৫ বলে ২৪ রান করে কুলদীপ যাদবের বলে আউট হন রাহুল। তিনি ফিরে গেলেও দলকে এগিয়ে নিয়ে যান ডি’কক। ৫২ বলে ৮০ রান করেন দক্ষিণ আফ্রিকার উইকেটকিপার। তাঁকেও ফিরিয়ে দেন কুলদীপ। ললিত যাদব আউট করলেন এভিন লুইসকে। তাঁর ক্যাচ নিলেন কুলদীপ। তবে শেষরক্ষা হল না। দীপক ম্যাচ জয়ের কিছু আগে আউট হলেও, বাকি কাজ সারলেন ক্রুনাল ও আয়ুশ।

গৌতমের বলে ডি ককের হাতে ধরা পড়েন

কিন্তু তিনি ফিরে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই আরও দু’টি উইকেট হারিয়ে যে ধাক্কা খেয়েছিল দল। সেই ধাক্কা আর সামলে উঠতে পারেনি দিল্লি। ফলে ৩ উইকেটে ১৪৯ রানে আটকে গেল পন্থের দল। পৃথ্বী শ এবং ডেভিড ওয়ার্নার ওপেন করতে নামলেন দিল্লির হয়ে। ঝড়ের গতিতে খেললেন পৃথ্বী। ৩৪ বলে ৬১ রানের ইনিংস সাজানো ছিল নটি বাউন্ডারি এবং দুটি ওভার বাউন্ডারি দিয়ে। অবশেষে গৌতমের বলে ডি ককের হাতে ধরা পড়েন। পাওয়েল (৩) বোল্ড হয়ে গেলেন রবি বিষ্ণইয়ের বলে। অন্যদিক থেকে গৌতম যথেষ্ট কৃপণ বোলিং করছিলেন। ১১ থেকে ১৪ ওভার দিল্লির রান তোলার গতি একেবারে কমে গেল। অ্যান্ড্রু টাই গতির হেরফের ঘটিয়ে পন্থদের কাজটা আরও কঠিন করে দিচ্ছিলেন।পন্থ স্পিনারদের বিরুদ্ধে একেবারেই টাইমিং করতে পারছিলেন না। রবি বিষ্ণই দুরন্ত বোলিং করলেন। ৪ ওভারে ২২ রান দিয়ে তুলে নিলেন দুটি উইকেট। শেষদিকে অধিনায়ক ঋষভ পন্থ এবং সরফরাজ মিলে লড়াই করে দিল্লির রান কিছুটা লড়াই করার মতো জায়গায় নিয়ে গেলেন।

গৌতম গম্ভীর মেন্টর হিসেবে দলে আসার ফলে কতটা লাভ হয়েছে

আপনার মতামত দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

%d bloggers like this: