25 C
Kolkata
Sunday, September 25, 2022
বাড়িদেশ বিদেশমৃত্যু হলো প্রথম শূকরের হৃদপিণ্ড প্রতিস্থাপনকারী ব্যক্তির

মৃত্যু হলো প্রথম শূকরের হৃদপিণ্ড প্রতিস্থাপনকারী ব্যক্তির

কয়েকমাস আগে একজনের শরীরে শূকরের হৃৎপিণ্ড প্রতিস্থাপিত করা হয় । জানা যাচ্ছে শূকরের হৃৎপিণ্ড প্রতিস্থাপিত হওয়া সেই প্রথম ব্যক্তির মৃত্যু হলো । হার্ট ট্রান্সপ্ল্যান্টের মাত্র ২ মাসের মধ্যেই তিনি প্রাণ হারালেন। আমেরিকার মারিল্যান্ড হাসপাতালে সেই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। এই হাসপাতালেই তার হার্ট ট্রান্সপ্ল্যান্ট করা হয়েছিল।হাসপাতাল সূত্রে খবর, ৫৭ বছরের এই ব্যক্তির নাম ডেভিড বেনেট। কিন্তু কি কারণে তার মৃ্ত্যু হয়েছে তা স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি। জানা যাচ্ছে বেশ কয়েকদিন ধরে তার শরীর খারাপ হতে শুরু করে। শেষমেষ তার মৃত্যু হয়। তার পরিবার মৃত্যু নিয়ে শোকাহত হলেও তারা হাসপাতালকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে। তার ছেলে হাসপাতালকে এই বিস্ময়কর কাজের জন্য প্রশংশা করেছেন।আগামীদিনে এইভাবে প্রতিস্থাপন প্রক্রিয়ার আরও উন্নতি হবে তা নিয়েও তার পরিবার অনেকটাই আশাবাদী।

মাত্র দুই মাসের মধ্যেই ব্যক্তির মৃত্যু হওয়াতে অবশ্যই নানা মহলে প্রশ্ন উঠছে।

তাঁর ছেলে বলেন, “আমরা সত্যিই কৃতজ্ঞ যে এমন একটা অভূতপূর্ব ঘটনা আমার বাবার সঙ্গে হয়েছে। এক্ষেত্রে প্রতিটি বিনিদ্র রজনী ইতিহাস সৃষ্টির দিকে সত্যিই এক একটা কদম। এটা শেষ নয় এটা হলো নতুন শুরু।”এই বিষয়ে চিকিৎসকার অনেকদিন ধরেই চেষ্টা করছিলেন অন্য প্রাণীর অঙ্গ মানুষের দেহে প্রতিস্থাপিত করার। এর মূল কারণ হল মানুষের অঙ্গদানের হার খুবই কম। যারফলে সহজে অঙ্গ পাওয়া যায়। এর বদলে যদি অন্য কোনও প্রাণীর অঙ্গ প্রতিস্থাপিত করা যায় তাহলে অনেক মানুষকে বাঁচিয়ে তোলা সম্ভব। যা নিয়ে অনেকদিন ধরে চলছিল গবেষণা।এই গবেষণার ফলশ্রুতি হিসাবেই এই ব্যাক্তির শরীরে সফলভাবে প্রতিস্থাপিত হয়েছিল শূকরের হৃৎপিণ্ড।কিন্তু এটি করার মাত্র দুই মাসের মধ্যেই ব্যক্তির মৃত্যু হওয়াতে অবশ্যই নানা মহলে প্রশ্ন উঠছে।

আগেও অন্য প্রাণীর অঙ্গ মানুষের শরীরে প্রতিস্থাপন করার চেষ্টা করা হয় । কিন্তু মানুষের শরীর সেই সকল অঙ্গ গ্রহণ করেনি। কিন্তু এবার জিন এডিটেড একটি শূকরের হৃৎপিণ্ডকে মানুষের শরীরে প্রতিস্থাপন করা হয়। অর্থাৎ শূকরের হৃৎপিণ্ড থেকে এমন জিন বের করে দেওয়া হয় যার জন্য মানুষের শরীর সেই জিনটিকে গ্রহণ করে না। এর পরিবর্তে একটি মানুষের জিন যোগ করা হয়।শুরুতে এই হার্ট কাজ করছিল। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এই বিষয়টি মানুষের সামনে আনে। আস্তে আস্তে সেই ব্যাক্তিটি সুস্থ হয়ে উঠছিলেন। কিন্তু তারপরেই অঘটনটি ঘটে । তার শারীরিক অবস্থা দ্রুত খারাপ হতে থাকে।এবং শেষমেষ তিনি প্রাণ হারান।কিন্তু এর জন্য আশাহত হলে চলবেনা । কারণ বিজ্ঞান কখনো থেমে থাকবে না আরও দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাবে। এবং আগামীদিনে সাফল্য আসবেই।

মৃত্যু হলো প্রথম শূকরের হৃদপিণ্ড প্রতিস্থাপনকারী ব্যক্তির

আপনার মতামত দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

%d bloggers like this: