25 C
Kolkata
Tuesday, November 29, 2022
বাড়িরাজ্যজেলাবাপের বাড়ি যেতে বাঁধা দেওয়ায় শ্বশুরের অণ্ডকোষ টেনে ছিঁড়ে নিলেন বউমা!

বাপের বাড়ি যেতে বাঁধা দেওয়ায় শ্বশুরের অণ্ডকোষ টেনে ছিঁড়ে নিলেন বউমা!

বাপের বাড়িতে মাংস রান্না হওয়ায় বাপের বাড়ি যেতে চেয়েছিলেন বউমা। স্বামীকে ফোন করে সেই কথা জানানও। ওই গৃহবধূ স্বামীকে বাপের বাড়ি যাওয়ার কথা জানালে স্বামী তাঁর কথা শুনে বাড়িতে মাংস কিনে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেন। কিন্তু বাপের বাড়ি যেতে না পারায় স্বামীর কথা শুনে তেলেবেগুনে জ্বলে ওঠেন ওই গৃহবধূ। রাগের জেরে শ্বশুরের অণ্ডকোষ টেনে ছিঁড়ে নিলেন বউমা। পূর্ব মেদিনীপুর (East Medinipur) জেলার নারকেলদাহা গ্রামে এই ঘটনাটি ঘটেছে। এই ঘটনার জেরে ওই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়। জানা গিয়েছে, বছর ২৭-এর তরুণী শিখা হাইতের বাপের বাড়ি বাকচা গ্রামে।

গত শনিবার ওই তরুণী স্বামী বিশ্বজিৎ হাইত অন্যান্য দিনের মতোই বাজারে গিয়েছিলেন। সেই সময় শিখা বিশ্বজিৎকে ফোন করে জানান, শিখার বাপের বাড়িতে মাংস রান্না হচ্ছে। তাই সে বাপের বাড়ি যেতে চায়। কিন্তু, শিখার স্বামী জানান, ওই সময় বাপের বাড়ি যাওয়ার প্রয়োজন নেই। স্ত্রীর জন্য সে নিজেই বাড়িতেই মাংস নিয়ে আসছেন। কিন্তু স্বামীর কথা শোনা মাত্রই রেগে আগুন হয়ে ওঠেন ওই মহিলা। শুরু করেন চিৎকার চেঁচামেচি, গালিগালাজ। স্থানীয় সূত্রে খবর, বউমাকে থামাতে যান বিশ্বজিতের বাবা। আর সেই সময়ই শ্বশুরের অণ্ডকোষ ধরে শিখা হ্যাঁচকা টান মারেন। বৃদ্ধ মানুষটির অন্ডকোষ ছিঁড়ে বেরিয়ে যায়। মূহূর্তের মধ্যে মাটিয়ে লুটিয়ে পড়েন শ্বশুর। যন্ত্রণায় মাটিতে গড়়াগড়ি খেতে থাকেন তিনি।

আহত বৃদ্ধকে তড়িঘড়ি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। জানা গিয়েছে, এই ঘটনার পরই শিখাকে বেঁধে মারধর করা হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেখান থেকে পালিয়ে যেতে সমর্থ হন ওই বউমা। এই ঘটনার জেরে শিখার শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তারপরই শিখাকে তার বাপের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। মঙ্গলবার তাকে তমলুক কোর্টে পেশ করা হয়েছিল। এই ঘটনার জেরে শিখার স্বামী বিশ্বজিৎ বলেন, “আজ ১৩-১৪ বছরের সংসার আমাদের। ছেলে-মেয়েরা বড় হয়ে গিয়েছে। ওর গ্রেফতারের পর খারাপ লাগছে। কিন্তু, রাগলে যে ওর কী হয়… আমার গোটা শরীরে ওর নখের দাগ। প্রচণ্ড রগচটা ও।

কিন্তু, তা বলে শ্বশুরের অণ্ডকোষ ছিঁড়ে নেবে

মনে হয় মানসিক কোনও সমস্যা রয়েছে । বিষয়টি নিয়ে শিখার পরিবারের সঙ্গে আগেও কথা বলেছি। তাঁরা মেয়েকে বোঝানোর জায়গায় ওকে আরও ইন্ধন জুগিয়েছে। ওদের পরিবার শিক্ষিত। কেন যে এমন করে” পাশাপাশি শিখার এক প্রতিবেশী বলেন, “ও বরাবর রগচটা। সংসারে অশান্তি প্রায় লেগেই থাকত। কিন্তু, তা বলে শ্বশুরের অণ্ডকোষ ছিঁড়ে নেবে! এই ঘটনা ভাবতেও পারছি না। গোটা এলাকায় এর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। শিখার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।” গোটা ঘটনার প্রেক্ষিতে ওই বধূর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। শিখার পরিবারের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেলে এই প্রতিবেদনে তা সংযোজিত করা হবে।

বাপের বাড়ি যেতে বাঁধা দেওয়ায় শ্বশুরের অণ্ডকোষ টেনে ছিঁড়ে নিলেন বউমা!

আপনার মতামত দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

%d bloggers like this: