25 C
Kolkata
Friday, February 3, 2023
বাড়িদেশ বিদেশআন্তর্জাতিক নারীদিবসে ইউক্রেনের মহিলাদের পাশে অরুনাচলের মেয়েরা

আন্তর্জাতিক নারীদিবসে ইউক্রেনের মহিলাদের পাশে অরুনাচলের মেয়েরা

Ukraine-এর এই সঙ্কটজনক পরিস্থিতিতে Ukraine এর মহিলাদের জন্য প্রার্থনায় অরুণাচলের মেয়েরা Ukraine-এ শান্তি ফিরে আসুক। এই প্রার্থনাই করছেন মহিলারা। তবে শুধু যে অরুণাচল প্রদেশই প্রার্থনা করছেন তা নয়, তামাম ভারতবাসী বর্তমানে এই একটাই প্রার্থনা করছে। এ প্রসঙ্গে Miao Diocese-র মহিলা শাখার সভাপতি Likro Mossang বলেন, “চারদিকে শুধু ইউক্রেনের মহিলা ও শিশুদের হৃদয়বিদারক ছবি। তাই আমরা এক হয়ে তাঁদের জন্য প্রার্থনা করছি। আমরা চাইছি এই কষ্টের দিন শেষ হোক।”Ukraine-এর মহিলাদের সঙ্গে রক্তের সম্পর্ক নেই তা সত্ত্বেও বিশ্ব মহিলা দিবসে ইউক্রেনের মহিলাদের জন্য প্রার্থনা করলেন তারা।গত কয়েকদিন ধরেই ইউক্রেনের ওপরে লাগাতার হামলা চালাচ্ছে রাশিয়া।

ইউক্রেনের মহিলাদের জন্য প্রার্থনার আয়োজন করা হল অরুণাচল প্রদেশে

রুশ সেনার এই অভিযানে তছনছ হয়ে গিয়েছে ইউক্রেন। বিপন্ন ইউক্রেনের মহিলা ও শিশুরাও। অসহায় অবস্থার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন তাঁরা। তাঁদের সেই অবর্ণনীয়, বেদনার ছবি ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়াতে, খবরে। এই করুণ দৃশ্য দেখে চোখের জল আটকাতে পারেন নি অরুণাচল প্রদেশের মহিলারাও। তাই ইউক্রেনের মহিলাদের জন্য প্রার্থনার আয়োজন করা হল অরুণাচল প্রদেশে।International Women’s Day তে সেখানের মিয়াও-র Christ the Light Church ও নেওটানের Sacred Heart Church-এ জমায়েত হয়ে প্রায় ৭০ জন মহিলা প্রার্থনা করলেন ইউক্রেনের মহিলা ও শিশুদের জন্য।

Miao Diocese-র মহিলা শাখার সভাপতি Likro Mossang বলেন, “চারদিকে শুধু ইউক্রেনের মহিলা ও শিশুদের হৃদয়বিদারক ছবি। সেখানে শুধুই রক্ত। এই যুদ্ধ শেষ হওয়ার কোনও লক্ষণ নেই। খুব অসহায়ভাবে দিন কাটাচ্ছেন সেখানের মহিলারা। তাই আমরা এই মহিলা দিবসে এক হয়ে তাঁদের জন্য প্রার্থনা করছি। আমরা চাইছি এই কষ্টের দিন শেষ হোক।” সেখানের এই বিশেষ প্রার্থনায় ছিলেন বিশপ George Pallipparambil। তিনি মনে করিয়ে দেন এই মহিলাদের একটি বিশেষ দায়িত্ব আছে। তারা বলেন, “আমাদের কাছে এখন সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র হিসাবে আছে এই প্রার্থনা। এই দিনে আমরা সবাই এক হয়ে ইউক্রেনের শিশু ও মহিলাদের জন্য প্রার্থনা করছি। অনেকেই এখন পরিবারের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে দিন কাটাচ্ছেন।”Pope Francis –র মতই তাদেরও আশা, যুদ্ধ থেমে যাবে।

আবার আগের মতই স্বাভাবিক জীবনযাপন করবেন ইউক্রেনের বাসিন্দারা। বিশপ জর্জ বলেন, “ইউক্রেনে শুধু মাত্র রক্ত ও চোখের জলের বন্যা। সেখানে আক্রান্ত, নিহতদের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমরা চাইছি শান্তি ফিরে আসুক। রেহাই পান সেখানের মহিলা, শিশুরা।” আগের দিনই একই কথা বলেন পোপ ফ্রান্সিস। তিনি বলেন, “এই যুদ্ধ পাগলামি ছাড়া আর কিছুই নয়।” রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে তাঁর পরামর্শ , “এই যুদ্ধ থামান। একটু দেখুন কী নিষ্ঠুরতা চলছে ইউক্রেনে।”পোপের কথার রেশ টেনেই মিয়াও ডাইয়োসিসের Sister Mary Sarkar বলেন, “আমরাও চাইছি এই দুঃখের দিনের অবসান হোক । ইউক্রেনের মহিলারা আগামী দিনে সুন্দর দিন কাটান এটাই চাইছি আমরা।” ইতিমধ্যে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন প্রায় ২০ লাখ ইউক্রেনবাসী।

আন্তর্জাতিক নারীদিবসে ইউক্রেনের মহিলাদের পাশে অরুনাচলের মেয়েরা

আপনার মতামত দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

%d bloggers like this: