25 C
Kolkata
Monday, December 5, 2022
বাড়িরাজ্যজেলামুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রত্যাখান করলেন আনন্দ বর্মনের পরিবার

মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রত্যাখান করলেন আনন্দ বর্মনের পরিবার

নিজস্ব সংবাদদাতা,অর্পিতা মন্ডল- মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রত্যাখান করলেন শীতলকুচিতে নিহত আনন্দ বর্মনের পরিবারের লোকেরা।বললেন,”২-৩ জন ফোন করেছে, না করে দিয়েছি”। মৃতের দাদা বললেন, “আমি বিজেপি পার্টি করি। বিজেপি পার্টি করার জন্যই আমার ভাই মারা গেল। মুখ্যমন্ত্রী এখন কী দিতে আসছেন!”

কোচবিহারে বিজেপির জেলা পার্টি অফিসে বসে এমন কথাই জানান আনন্দের বাবা জগদীশ বর্মন। কিন্তু কেন এই প্রত্যাখ্যান? নিহতের বাবার অভিযোগ, “আমার বড় ছেলেকে বেশ কয়েকবার হুমকি দিয়েছে। এমনকী, বাড়ি এসেও হুমকি দিয়ে গিয়েছে, ভোট দিতে গেলে তোমার জীবন নেওয়া হবে। বড় ছেলেকে না পেয়ে আমার ছোট ছেলে-কে মেরে দিয়েছে”।

শীতলকুচির ঘটনা এখন সবার মুখে মুখে। কিন্তু এই ঘটনার দায় কার? তৃণমূল-বিজেপির তরজা যখন তুঙ্গে, তখন প্রচারের আলোর বাইরে রয়ে গিয়েছেন আনন্দ বর্মন। অথচ সেদিন ভোট দিতে তিনিই প্রথম গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।

ভোট মিটলে শীতলকুচিতে যাবেন, বুধবার মাথাভাঙা হাসপাতালে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে নিহতদের পরিবারের লোকেদের সঙ্গে দেখার করার কথা মমতার।

ভোটের দিন ঠিক কী ঘটেছিল? আনন্দ বর্মনের দাদা গোবিন্দ জানালেন, “ভাইকে নিয়ে আসার পথে বোমা মারে। আমি পড়ে যাই, তারপর বাঁশ দিয়ে মারে। কোনওমতে ভাইকে তুলে নিয়ে গিয়ে পাশেই কাকুর বাড়িতে দিতে আসি।” তাঁর সাফ কথা, “মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কেন দেখা করব? তাঁর সঙ্গে আমার কোনও সম্পর্ক নেই। আমি বিজেপি পার্টি করি। বিজেপি পার্টি করার জন্যই আমার ভাই মারা গেল। মুখ্যমন্ত্রী এখন কী দিতে আসছেন।”

প্রসঙ্গত, রবিবার শীতলকুচি গুলিকাণ্ডে তৃণমূলনেত্রীর বিরুদ্ধে ‘মৃত্যু নিয়ে তোষণে রাজনীতি’র অভিযোগ করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বলেছিলেন, “আমতলির ৪ জনকে শ্রদ্ধা জানালেন, ফোন করলেন, পাশে দাঁড়ালেন। অথচ আনন্দ বর্মনের মৃত্যু নিয়ে একটা শব্দও বললেন না। কারণ, আনন্দ রাজবংশী সম্প্রদায়ের যুবক। দিদির ভোটব্যাঙ্ক নয়।”

আপনার মতামত দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

%d bloggers like this: